অষ্টম শ্রেণীর
আমাদের পরিবেশ
দ্বিতীয় অধ্যায়
পদার্থের প্রকৃতি
WB Class 8 Poribesh Chapter 2.1 প্রিয় ছাত্র ছাত্রীরা আজকে অষ্টম শ্রেণীর আমাদের পরিবেশের প্রথম অধ্যায় (পদার্থের প্রকৃতি) এর গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও সঙ্গে উত্তর দেওয়া হলো।এই প্রশ্ন গুলি পরীক্ষায় আসার মত। তোমরা এই প্রশ্ন গুলি পড়লে পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারবে। আমাদের ওয়েবসাইট এ সকল বিষয়ের প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া আছে । চাইলে তোমরা দেখে নিতে পারো।
A. সঠিক উত্তর নির্বাচন কর।
১. নিচের কোন পদার্থটি খোলা হাওয়ায় উর্ধ্বপাতিত হয়?
(a) চিনি (b) মোম (c) সোডিয়াম ক্লোরাইড (d) কঠিন কার্বন ডাই অক্সাইড
👉 উত্তরঃ (d) কঠিন কার্বন ডাই অক্সাইড
২. পচা ডিমের মতো গন্ধযুক্ত গ্যাস কোনটি?
(a) CO₂ (b) SO₂ (c) H₂S (d) NO₂
👉 উত্তরঃ (c) H₂S
৩. তাপের সুপরিবাহী কিন্তু তড়িতের কুপরিবাহী পদার্থ কোনটি?
(a) হিরে (b) গ্রাফাইট (c) তুলা (d) কাঠ
👉 উত্তরঃ (a) হিরে
৪. সাদা গুঁড়ো পদার্থ গরম করলে কালো হয়ে যায়—এটি কী হতে পারে?
(a) নুন (b) কর্পূর (c) চিনি
👉 উত্তরঃ (c) চিনি
৫. নিচের কোনটি উর্ধ্বপাতনশীল পদার্থ?
(a) গন্ধক (b) জল (c) খাদ্য লবণ (d) কর্পূর
👉 উত্তরঃ (d) কর্পূর
৬. উত্তপ্ত করলে কোন পদার্থ কালো হয়ে যায়?
(a) কিউপ্রিক নাইট্রেট (b) অ্যামোনিয়া (c) সালফার (d) অক্সিজেন
👉 উত্তরঃ (a) কিউপ্রিক নাইট্রেট
B. ঠিক না ভুল লেখ (True/False) WB Class 8 Poribesh Chapter 2.1
১. জিংক ও লোহা উভয়ই H₂SO₄ থেকে হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে।
👉 ঠিক
২. হিরে তাপ ও তড়িতের সুপরিবাহী।
👉 ভুল
৩. সোনার সরু তার তৈরি করা যায় তড়িৎ পরিবাহিতার জন্য।
👉 ভুল (কারণ: নমনীয়তা)
৪. হিরে তাপের কুপরিবাহী।
👉 ভুল
৫. H₂S গ্যাসের গন্ধ পচা ডিমের মতো।
👉 ঠিক
৬. অ্যামোনিয়া গ্যাসের গন্ধ পচা ডিমের মতো।
👉 ভুল
WB Class 8 Poribesh Chapter 2.1
C. শূন্যস্থান পূরণ কর
১. তাপ ও তড়িতের সুপরিবাহী অধাতু হলো __________
👉 উত্তরঃ গ্রাফাইট
২. তাপের সুপরিবাহী কিন্তু তড়িতের কুপরিবাহী অধাতু হলো __________
👉 উত্তরঃ হিরে
৩. লোহা ও H₂SO₄ বিক্রিয়ায় __________ গ্যাস নির্গত হয়
👉 উত্তরঃ হাইড্রোজেন
৪. সাধারণ তাপমাত্রায় ব্রোমিন __________ অবস্থায় থাকে
👉 উত্তরঃ তরল
৫. পারদের স্ফুটনাঙ্ক __________ °C
👉 উত্তরঃ 357°C
WB Class 8 Poribesh Chapter 2.1

D. অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
১. কোন ধাতু H₂SO₄ থেকে হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে না?
👉 উত্তরঃ কপার
২. CO₂ ও NO₂ গ্যাসকে কোন ধর্মের সাহায্যে শনাক্ত করা যায়?
👉 উত্তরঃ রং (বর্ণ)
৩. লোহা, সোডিয়াম ও তামার মধ্যে কোনটি আঘাতে শব্দ করে না?
👉 উত্তরঃ সোডিয়াম
৪. অ্যামোনিয়া ও H₂S গ্যাস কীভাবে আলাদা করবে?
👉 উত্তরঃ গন্ধ দ্বারা
৫. একটি সুপরিবাহী অধাতুর নাম লেখ
👉 উত্তরঃ গ্রাফাইট
৬. সব কঠিন পদার্থ কি গরম করলে তরল হয়?
👉 উত্তরঃ না (উদাহরণ: কর্পূর সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়)
৭. NO₂ গ্যাসের রং কী?
👉 উত্তরঃ বাদামি
৮. আর্সেনিককে ধাতুকল্প বলা হয় কেন?
👉 উত্তরঃ এতে ধাতব ও অধাতব উভয় ধর্ম আছে
৯. ব্রোমিনের রং কী?
👉 উত্তরঃ লালচে-বাদামি
১০. চিনি গরম করলে কী হয়?
👉 উত্তরঃ কালো হয়ে যায়
WB Class 8 Poribesh Chapter 2.1
১১. একটি তরল ধাতু ও একটি সুপরিবাহী অধাতুর নাম লেখ
👉 উত্তরঃ পারদ, গ্রাফাইট
১২. পচা ডিমের গন্ধযুক্ত গ্যাসের নাম কী?
👉 উত্তরঃ হাইড্রোজেন সালফাইড
১৩. ঝাঁঝালো গন্ধযুক্ত গ্যাস কোনটি?
👉 উত্তরঃ অ্যামোনিয়া
১৪. নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড (NO₂)-এর রং কী?
👉 উত্তরঃ বাদামি
১৫. কঠিন থেকে সরাসরি বাষ্পে রূপান্তরকে কী বলে?
👉 উত্তরঃ উর্ধ্বপাতন
১৬. কোন ধাতু শীতে কঠিন কিন্তু গ্রীষ্মে তরল হতে পারে?
👉 উত্তরঃ সিজিয়াম (Cs)
১৭. কোনটি উভধর্মী অক্সাইড?
👉 উত্তরঃ ZnO
১৮. উভধর্মী অক্সাইডের উদাহরণ—
👉 উত্তরঃ Al₂O₃
১৯. জিংকের গলনাঙ্ক কত?
👉 উত্তরঃ 420°C
WB Class 8 Poribesh Chapter 2.1

E. সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
১. ধরো হীরে গ্রাফাইটের চেয়ে সস্তা হয়ে গেছে। তাহলে কি ব্যাটারির তড়িৎদ্বার (electrode) তৈরিতে গ্রাফাইটের বদলে হীরে ব্যবহার করা যাবে? যুক্তি দাও।
👉 উত্তরঃনা, ব্যবহার করা যাবে না। কারণ ব্যাটারির তড়িৎদ্বার তৈরির জন্য এমন পদার্থ প্রয়োজন যা তড়িৎ পরিবাহিতা বেশি। গ্রাফাইট তড়িৎের সুপরিবাহী হলেও হীরে তড়িৎের কুপরিবাহী। তাই হীরে সস্তা হলেও এটি ব্যবহারযোগ্য নয়।
২. লঘু সালফিউরিক অ্যাসিড (H₂SO₄) ব্যবহার করে কীভাবে লোহার গুঁড়ো ও ফেরাস সালফাইড আলাদা করবে? সমীকরণ লেখ।
👉 উত্তরঃলোহার গুঁড়োর সঙ্গে লঘু H₂SO₄ বিক্রিয়া করলে হাইড্রোজেন গ্যাস (বর্ণহীন, গন্ধহীন) নির্গত হয়।
সমীকরণঃ
Fe + H₂SO₄ → FeSO₄ + H₂↑
অন্যদিকে ফেরাস সালফাইড (FeS)-এর সঙ্গে একই অ্যাসিড বিক্রিয়ায় পচা ডিমের গন্ধযুক্ত হাইড্রোজেন সালফাইড (H₂S) গ্যাস উৎপন্ন হয়।
সমীকরণঃ
FeS + H₂SO₄ → FeSO₄ + H₂S↑
👉 এই গন্ধের পার্থক্যের মাধ্যমেই পদার্থ দুটি চিহ্নিত করা যায়।
৩. লোহার সঙ্গে লঘু সালফিউরিক অ্যাসিডের বিক্রিয়ায় কী ঘটে?
👉 উত্তরঃলোহার সঙ্গে লঘু H₂SO₄ বিক্রিয়ায় হাইড্রোজেন গ্যাস নির্গত হয় এবং ফেরাস সালফেট তৈরি হয়।
সমীকরণঃ
Fe + H₂SO₄ → FeSO₄ + H₂↑
৪. উত্তপ্ত লোহার ওপর জলীয় বাষ্প (steam) প্রবাহিত করলে কী ঘটে?
👉 উত্তরঃউত্তপ্ত লোহার সঙ্গে স্টিম বিক্রিয়া করে লৌহ অক্সাইড (Fe₃O₄) ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়।
সমীকরণঃ
3Fe + 4H₂O (steam) → Fe₃O₄ + 4H₂↑
৫. কপার সালফেট দ্রবণে লোহার পেরেক ডোবালে কী দেখা যায়?
👉 উত্তরঃলোহার পেরেকের উপর লালচে-বাদামি রঙের কপারের আস্তরণ জমে এবং দ্রবণের রং পরিবর্তিত হয়।
সমীকরণঃ
Fe + CuSO₄ → FeSO₄ + Cu
WB Class 8 Poribesh Chapter 2.1
৬. জিঙ্কের সঙ্গে লঘু সালফিউরিক অ্যাসিডের বিক্রিয়ায় কী ঘটে?
👉 উত্তরঃজিঙ্কের সঙ্গে লঘু H₂SO₄ বিক্রিয়ায় হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়।
সমীকরণঃ
Zn + H₂SO₄ → ZnSO₄ + H₂↑
৭. সোডিয়াম ক্লোরাইড কঠিন অবস্থায় তড়িৎ পরিবাহিতা দেখায় না, কিন্তু জলে দ্রবীভূত অবস্থায় কেন দেখায়?
👉 উত্তরঃকঠিন NaCl-এ আয়নগুলো স্থির অবস্থায় থাকে, তাই তড়িৎ পরিবাহিতা হয় না। কিন্তু জলে দ্রবীভূত হলে এটি Na⁺ ও Cl⁻ আয়নে বিভক্ত হয়। এই মুক্ত আয়নগুলো তড়িৎ পরিবাহন করে।
৮. পদার্থের ধর্ম বলতে কী বোঝায়? পদার্থের ধর্ম কয় প্রকার?
👉 উত্তরঃকোনো পদার্থের যে বৈশিষ্ট্যগুলির মাধ্যমে তাকে চেনা যায়, সেগুলোকেই পদার্থের ধর্ম বলা হয়।
পদার্থের ধর্ম প্রধানত দুই প্রকার—
- ভৌত ধর্ম
- রাসায়নিক ধর্ম
৯. পদার্থের ভৌত ধর্ম কী? উদাহরণ দাও।
👉 উত্তরঃযে ধর্ম দ্বারা পদার্থের বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য জানা যায় কিন্তু রাসায়নিক গঠন পরিবর্তিত হয় না, তাকে ভৌত ধর্ম বলে।
উদাহরণঃ বর্ণ, গন্ধ, গলনাঙ্ক, স্ফুটনাঙ্ক, দ্রাব্যতা ইত্যাদি।
WB Class 8 Poribesh Chapter 2.1
১০. পদার্থের রাসায়নিক ধর্ম কী? উদাহরণ দাও।
👉 উত্তরঃযে ধর্ম দ্বারা কোনো পদার্থ অন্য পদার্থের সঙ্গে বিক্রিয়া করার ক্ষমতা প্রকাশ করে, তাকে রাসায়নিক ধর্ম বলে।
উদাহরণঃ জিঙ্ক + H₂SO₄ → হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হওয়া।
Related Post
WB Class 7 Poribesh Chapter 5 মানুষের খাদ্য Questions and Answars Sure Success
WB Class 7 Poribesh Chapter 6 Questions and Answars Sure Success
WB Class 8 Amader Poribesh Chapter 1.1 বল ও চাপ Questions and Answars Sure Success
WB Class 8 Amader Poribesh Chapter 1 Questions and Answars Sure Success
WIKIPEDIA LINK পশ্চিমবঙ্গ_মধ্য_শিক্ষা_পর্ষদ


