wbclassroom.in

WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো

WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো (Light)Questions and Answars Sure Success

সপ্তম শ্রেণি

পরিবেশ বিজ্ঞান

প্রথম অধ্যায় (আলো)

WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো প্রিয় ছাত্র ছাত্রীরা আজকে সপ্তম শ্রেণীর আমাদের পরিবেশের প্রথম অধ্যায় (আলো) এর গুরুত্ব পূর্ণ প্রশ্ন ও সঙ্গে উত্তর দেওয়া হলো।এই প্রশ্ন গুলি পরীক্ষায় আসার মত। তোমরা এই প্রশ্ন গুলি পড়লে পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারবে। আমাদের ওয়েবসাইট এ সকল বিষয়ের প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া আছে । চাইলে তোমরা দেখে নিতে পারো।

 

আলো সম্পর্কিত MCQ  WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো

প্রশ্ন ১।একটি টর্চ জ্বালালে বালব থেকে যে আলোকরশ্মি নির্গত হয়, তা কোন প্রকৃতির?

(a) অভিসারী রশ্মি

(b) সমান্তরাল রশ্মি

(c) অপসারী রশ্মি

(d) প্রতিসৃত রশ্মি

উত্তরঃ (c) অপসারী রশ্মি

প্রশ্ন ২।আলোর সরলরেখায় চলার ধর্মটি কোনটির দ্বারা বোঝানো হয়?

(a) আলোর প্রতিফলন

(b) আলোর প্রতিসরণ

(c) আলোর সরলরেখায় গমন

(d) আলোর বিচ্ছুরণ

উত্তরঃ (c) আলোর সরলরেখায় গমন

প্রশ্ন ৩।যে মাধ্যমে আলো আংশিকভাবে প্রবেশ করতে পারে, সেই মাধ্যমকে কী বলে?

(a) স্বচ্ছ মাধ্যম

(b) অস্বচ্ছ মাধ্যম

(c) ঈষৎ স্বচ্ছ মাধ্যম

(d) ঘন মাধ্যম

উত্তরঃ (c) ঈষৎ স্বচ্ছ মাধ্যম

প্রশ্ন ৪।যে আলোকরশ্মি গুচ্ছ একটি বিন্দু থেকে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, তাকে বলা হয়

(a) অভিসারী রশ্মিগুচ্ছ

(b) সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছ

(c) অপসারী রশ্মিগুচ্ছ

(d) প্রতিফলিত রশ্মিগুচ্ছ

উত্তরঃ (c) অপসারী রশ্মিগুচ্ছ

প্রশ্ন ৫।আলোর দৃষ্টিতে বায়ুকে কোন শ্রেণির মাধ্যমে রাখা হয়?

(a) অস্বচ্ছ

(b) ঈষৎ স্বচ্ছ

(c) স্বচ্ছ

(d) প্রতিফলক

উত্তরঃ (c) স্বচ্ছ

প্রশ্ন ৬।কুয়াশার ভিতর দিয়ে বস্তু স্পষ্ট দেখা যায় না কারণ কুয়াশা হল

(a) স্বচ্ছ মাধ্যম

(b) অস্বচ্ছ মাধ্যম

(c) ঈষৎ স্বচ্ছ মাধ্যম

(d) ঘন মাধ্যম

উত্তরঃ (c) ঈষৎ স্বচ্ছ মাধ্যম

প্রশ্ন ৭।অপসারী আলোকরশ্মির প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?

(a) একটি বিন্দুতে মিলিত হয়

(b) সমান্তরালভাবে অগ্রসর হয়

(c) বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে

(d) বাঁকানো পথে চলে

 উত্তরঃ (c) বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে

প্রশ্ন ৮।নিচের কোনটি আলো ভেদ করতে দেয় না?

(a) কাচ

(b) জল

(c) লোহা

(d) বায়ু

উত্তরঃ (c) লোহা

প্রশ্ন ৯। নিচের কোনটি অপ্রভ বস্তু নয়?

(a) কাঠ

(b) ইট

(c) জোনাকি

(d) লোহা

উত্তরঃ (c) জোনাকি

প্রশ্ন ১০। নিজে থেকে আলো নির্গত করে এমন বস্তু হল

(a) চাঁদ

(b) সূর্য

(c) আয়না

(d) কাগজ

উত্তরঃ (b) সূর্য

WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো

প্রশ্ন ১১। মাখন লাগানো কাগজ সাধারণত কোন ধরনের মাধ্যম হিসেবে পরিচিত?

(a) স্বচ্ছ মাধ্যম

(b) অস্বচ্ছ মাধ্যম

(c) ঈষৎ স্বচ্ছ মাধ্যম

(d) সমসত্ত্ব মাধ্যম

উত্তরঃ (c) ঈষৎ স্বচ্ছ মাধ্যম

অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন ১। টর্চের বালব থেকে নির্গত আলোকরশ্মির প্রকৃতি কী?
উত্তরঃ টর্চের বালব থেকে নির্গত আলোকরশ্মি অপসারী প্রকৃতির।

প্রশ্ন ২। আলো কীভাবে গমন করে?
উত্তরঃ আলো সর্বদা সরলরেখা বরাবর গমন করে।

প্রশ্ন ৩। ঘষাকাচ কোন ধরনের মাধ্যম?
উত্তরঃ ঘষাকাচ ঈষৎস্বচ্ছ মাধ্যম।

প্রশ্ন ৪। অপসারী আলোকরশ্মিগুচ্ছ বলতে কী বোঝো?
উত্তরঃ যে আলোকরশ্মিগুচ্ছ একটি বিন্দু থেকে সরলরেখায় বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে, তাকে অপসারী আলোকরশ্মিগুচ্ছ বলে।

প্রশ্ন ৫। আলোর জন্য বায়ু কোন ধরনের মাধ্যম?
উত্তরঃ আলোর জন্য বায়ু স্বচ্ছ মাধ্যম।

প্রশ্ন ৬। কুয়াশা কোন মাধ্যমের উদাহরণ?
উত্তরঃ কুয়াশা ঈষৎস্বচ্ছ মাধ্যমের উদাহরণ।

প্রশ্ন ৭। অস্বচ্ছ মাধ্যমের একটি উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ লোহা একটি অস্বচ্ছ মাধ্যম।

প্রশ্ন ৮। স্বপ্রভ বস্তু কাকে বলে? একটি উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ যে বস্তু নিজে আলো উৎপন্ন করে তাকে স্বপ্রভ বস্তু বলে। উদাহরণ—সূর্য।

প্রশ্ন ৯। অপ্রভ বস্তু কাকে বলে?
উত্তরঃ যে বস্তু নিজে আলো উৎপন্ন করে না, কিন্তু অন্যের আলোতে দেখা যায়, তাকে অপ্রভ বস্তু বলে।

প্রশ্ন ১০। ছায়া পড়ার মূল কারণ কী?
উত্তরঃ আলোর সরলরেখায় চলাচল করার ধর্মের জন্য ছায়া পড়ে।

WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো

প্রশ্ন ১১। বিন্দু আলোক উৎসের ক্ষেত্রে কেমন ছায়া গঠিত হয়?
উত্তরঃ বিন্দু আলোক উৎসের ক্ষেত্রে কেবল প্রচ্ছায়া গঠিত হয়, উপচ্ছায়া হয় না।

প্রশ্ন ১২। প্রচ্ছায়াকে ঘিরে থাকা আবছা অংশটিকে কী বলে?
উত্তরঃ উপচ্ছায়া বলে।

প্রশ্ন ১৩। বস্তুকে আলোক উৎসের কাছে আনলে ছায়ার আকার কীভাবে পরিবর্তিত হয়?
উত্তরঃ বস্তুকে আলোক উৎসের কাছে আনলে ছায়ার আকার বড়ো হয়।

প্রশ্ন ১৪। বড়ো আলোক উৎস হলে কী ধরনের ছায়া সৃষ্টি হয়?
উত্তরঃ বড়ো আলোক উৎস হলে প্রচ্ছায়া ও উপচ্ছায়া উভয়ই সৃষ্টি হয়।

প্রশ্ন ১৫। ছায়ার আংশিক আলোকিত অঞ্চলকে কী বলা হয়?
উত্তরঃ উপচ্ছায়া বলা হয়।

প্রশ্ন ১৬। সূচিছিদ্র ক্যামেরার ছিদ্র বড়ো করলে প্রতিকৃতির কী হয়?
উত্তরঃ ছিদ্র বড়ো করলে প্রতিকৃতি আরও অস্পষ্ট হয়।

প্রশ্ন ১৭। সূচিছিদ্র ক্যামেরার বাক্সের দৈর্ঘ্য বাড়ালে প্রতিকৃতির আকার কী হয়?
উত্তরঃ বাক্সের দৈর্ঘ্য বাড়ালে প্রতিকৃতির আকার বড়ো হয়।

প্রশ্ন ১৮। সূচিছিদ্র ক্যামেরার সাহায্যে কী দেখা যায়?
উত্তরঃ সূচিছিদ্র ক্যামেরার সাহায্যে প্রতিকৃতি দেখা যায়।

প্রশ্ন ১৯। গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে মাটিতে যে গোল আলোর দাগ দেখা যায়, তা আসলে কী?
উত্তরঃ তা সূর্যের প্রতিকৃতি।

প্রশ্ন ২০। বস্তু সূচিছিদ্রের কাছে আনলে প্রতিকৃতির কী পরিবর্তন হয়?
উত্তরঃ বস্তু কাছে আনলে প্রতিকৃতির আকার বড়ো হয়।

প্রশ্ন ২১। বিক্ষিপ্ত প্রতিফলন কাকে বলে? একটি উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ অনিয়মিত পৃষ্ঠে আলোর প্রতিফলনকে বিক্ষিপ্ত প্রতিফলন বলে। উদাহরণ—সিনেমার পর্দা।

প্রশ্ন ২২। আপতন কোণ প্রতিফলন কোণের মধ্যে সম্পর্ক কী?
উত্তরঃ আপতন কোণ ও প্রতিফলন কোণ পরস্পরের সমান।

প্রশ্ন ২৩। সমতল আয়নায় নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে কেন?
উত্তরঃ আয়নার পৃষ্ঠ মসৃণ হওয়ায় সেখানে নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে।

প্রশ্ন ২৪। আলোকরশ্মি ঘনতর মাধ্যম থেকে লঘুতর মাধ্যমে গেলে কী ঘটে?
উত্তরঃ আলোকরশ্মি অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়।

প্রশ্ন ২৫। লঘু মাধ্যম থেকে ঘন মাধ্যমে গেলে আপতন প্রতিসরণ কোণের সম্পর্ক কী?
উত্তরঃ আপতন কোণ প্রতিসরণ কোণের চেয়ে বড়ো হয় (i > r)।

WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো

প্রশ্ন ২৬। সমতল আয়নায় বস্তুর কী ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়?
উত্তরঃ সমতল আয়নায় বস্তুর পার্শ্বীয় পরিবর্তন দেখা যায়।

প্রশ্ন ২৭। সমতল আয়নায় প্রতিবিম্বের উচ্চতা কেমন হয়?
উত্তরঃ সমতল আয়নায় প্রতিবিম্বের উচ্চতা বস্তুর সমান হয়।

প্রশ্ন ২৮। জলে ভর্তি পাত্রের তলদেশ ওপরে উঠে এসেছে মনে হয় কেন?
উত্তরঃ আলোর প্রতিসরণের জন্য তলদেশ ওপরে উঠে এসেছে মনে হয়।

প্রশ্ন ২৯। সূর্যের আলো কয়টি রঙের সমষ্টি?
উত্তরঃ সূর্যের আলো সাতটি রঙের সমষ্টি।

প্রশ্ন ৩০। রংধনু কীভাবে সৃষ্টি হয়?
উত্তরঃ সূর্যের সাদা আলোর বিচ্ছুরণের ফলে রংধনু সৃষ্টি হয়।

প্রশ্ন ৩১। বর্ণালির মধ্যবর্তী রং কোনটি?
উত্তরঃ সবুজ।

প্রশ্ন ৩২। রংধনুর দুই প্রান্তের রং কী কী?
উত্তরঃ লাল ও বেগুনি।

প্রশ্ন ৩৩। ওজোন স্তর ক্ষয়ের প্রধান কারণ কী?
উত্তরঃ ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) ওজোন স্তর ক্ষয়ের প্রধান কারণ।

প্রশ্ন ৩৪। কোন প্রাণী আলো উৎপন্ন করে যোগাযোগ রক্ষা করে?
উত্তরঃ জোনাকি আলো উৎপন্ন করে যোগাযোগ রক্ষা করে।

প্রশ্ন ৩৫। মানবদেহে মেলানিন কী?
উত্তরঃ মেলানিন মানবদেহের চামড়ায় উপস্থিত একটি রঞ্জক পদার্থ।

প্রশ্ন ৩৬। জলভর্তি বালতির তল উপরে উঠে এসেছে বলে মনে হয় কেন?

উত্তর:প্রতিসরণের কারণে তলদেশের প্রতিবিম্ব প্রকৃত অবস্থানের চেয়ে উপরে দেখা যায়।

প্রশ্ন ৩৭বর্ণালী কাকে বলে?

উত্তর:সাদা আলো প্রিজমের মধ্য দিয়ে গেলে সাতটি রঙে বিভক্ত হয়। এই রঙগুলির সমষ্টিকে বর্ণালী বলে।

প্রশ্ন ৩৮বিচ্ছুরণ কাকে বলে?

উত্তর:যৌগিক আলো থেকে বিভিন্ন বর্ণের আলো আলাদা হয়ে যাওয়ার ঘটনাকে বিচ্ছুরণ বলে।

প্রশ্ন ৩৯বর্ণালী কয় প্রকার?

উত্তর:দুই প্রকার—

  1. বিশুদ্ধ বর্ণালী
  2. অবিশুদ্ধ বর্ণালী

প্রশ্ন ৪০একটি বিশুদ্ধ বর্ণালীর উদাহরণ দাও।

উত্তর:রংধনু।

WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো

প্রশ্ন ৪১একটি প্রাকৃতিক বিচ্ছুরণের উদাহরণ দাও।

উত্তর:আকাশের রংধনু।

প্রশ্ন ৪২অতিবেগুনি রশ্মির একটি ক্ষতিকর প্রভাব লেখ।

উত্তর:অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে।

প্রশ্ন ৪৩মেলানিন কীভাবে আমাদের রক্ষা করে?

উত্তর:মেলানিন অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে ত্বকের নিচের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।

প্রশ্ন ৪৪এক্স-রশ্মি দিয়ে হাড়ের ছবি তোলা যায় কেন?

উত্তর:এক্স-রশ্মি নরম টিস্যু ভেদ করতে পারে কিন্তু হাড় ভেদ করতে পারে না।

প্রশ্ন ৪৫গর্ভস্থ শিশুর এক্স-রে করা উচিত নয় কেন?

উত্তর:এক্স-রশ্মি ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে এবং ভ্রূণের ক্ষতি করে।

প্রশ্ন ৪৬এক্স-রশ্মির একটি ক্ষতিকর প্রভাব লেখ।

উত্তর:দীর্ঘ সময় এক্স-রশ্মির সংস্পর্শে থাকলে ক্যান্সার হতে পারে।

প্রশ্ন ৪৭সালোকসংশ্লেষে কোন শক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?

উত্তর:আলোকশক্তি → খাদ্যশক্তি (স্থিতিশক্তি)

প্রশ্ন ৪৮গ্রীষ্মকালে ফোটে এমন তিনটি ফুলের নাম লেখ।

উত্তর:শিমুল, পলাশ, কৃষ্ণচূড়া।

প্রশ্ন ৪৯শীতকালে ফোটে এমন তিনটি ফুলের নাম লেখ।

উত্তর:চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া, জারবেরা।

প্রশ্ন ৫০দীর্ঘ আলোকপ্রাপ্তি উদ্ভিদের দুটি উদাহরণ দাও।

উত্তর: পালং, হায়োসায়ামাস।

প্রশ্ন ৫১স্বল্প আলোকপ্রাপ্তি উদ্ভিদের দুটি উদাহরণ দাও।

উত্তর: আলু, তামাক।

প্রশ্ন ৫২কম আলোতে মারা যায় এমন প্রাণীর বাচ্চার নাম লেখ।

উত্তর: স্যামন মাছের বাচ্চা।

প্রশ্ন ৫৩শীতঘুমে যায় এমন তিনটি প্রাণীর নাম লেখ।

উত্তর: ব্যাঙ, সাপ ও ভাল্লুক।

WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো

WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো
WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো

B. শূন্যস্থান পূরণ করো 

প্রশ্ন ১। যে বস্তুর নিজস্ব আলো নেই, তাকে ______ বস্তু বলে।
উত্তরঃ অপ্রভ বস্তু

প্রশ্ন ২। সূর্য থেকে আসা আলোকরশ্মিগুচ্ছকে ______ আলোকরশ্মিগুচ্ছ বলা হয়।
উত্তরঃ সমান্তরাল

প্রশ্ন ৩। যে বস্তু থেকে নিজস্ব আলো নির্গত হয়, তাকে ______ বলে।
উত্তরঃ স্বপ্রভ বস্তু

প্রশ্ন ৪। আলোকরশ্মিগুচ্ছ মোট ______ ধরনের হয়।
উত্তরঃ তিন

প্রশ্ন ৫। বিন্দু আলোক উৎসের তুলনায় আকারে বড়ো আলোক উৎসকে ______ বলা হয়।
উত্তরঃ বিস্তৃত উৎস

প্রশ্ন ৬। আলোক উৎস ______ হলে প্রচ্ছায়া উপচ্ছায়া উভয়ই গঠিত হয়।
উত্তরঃ বিস্তৃত

প্রশ্ন ৭। প্রচ্ছায়াকে ঘিরে থাকা আবছা অন্ধকার অংশকে ______ বলে।
উত্তরঃ উপচ্ছায়া

প্রশ্ন ৮। বিস্তৃত উৎসের সামনে বাধাদানকারী বস্তু পর্দার দূরত্ব বাড়ালে ছায়াটি ক্রমে ______ হয়।
উত্তরঃ বড়ো

প্রশ্ন ৯। সূচিছিদ্র ক্যামেরায় ছিদ্র যত ছোটো হবে ______ তত সূক্ষ্ম হবে।
উত্তরঃ প্রতিকৃতি

প্রশ্ন ১০। সূচিছিদ্র ক্যামেরায় গঠিত প্রতিকৃতি সব সময় ______ হয়।
উত্তরঃ উল্টো

প্রশ্ন ১১। সূচিছিদ্র ক্যামেরার ছিদ্র যত ছোটো হবে প্রতিকৃতি তত ______ হবে।
উত্তরঃ স্পষ্ট

প্রশ্ন ১২। ক্যামেরার দৈর্ঘ্য যত বাড়ানো হবে প্রতিকৃতির আকার তত ______ হবে।
উত্তরঃ বড়ো

প্রশ্ন ১৩। সূচিছিদ্র ক্যামেরায় বস্তুর ______ গঠিত হয়।
উত্তরঃ প্রতিকৃতি

প্রশ্ন ১৪। ______ প্রতিফলনে আপতিত রশ্মিগুচ্ছ সমান্তরাল হলেও প্রতিফলনের পরে তারা আর ______ থাকে না।
উত্তরঃ বিক্ষিপ্ত, সমান্তরাল

প্রশ্ন ১৫। আলোর প্রতিফলনে ______ কোণ ও ______ কোণ সমান হয়।
উত্তরঃ আপতন, প্রতিফলন

WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো

প্রশ্ন ১৬। নিয়মিত বিক্ষিপ্ত প্রতিফলনের ক্ষেত্রেই প্রতিটি আলোকরশ্মি ______ দুটি সূত্র মেনে চলে।
উত্তরঃ প্রতিফলনের

প্রশ্ন ১৭। সমতল দর্পণে রশ্মি লম্বভাবে পড়লে প্রতিফলন কোণের মান হবে ______
উত্তরঃ

প্রশ্ন ১৮। সিনেমার পর্দা সাদা ও ______ হয়।
উত্তরঃ অমসৃণ

প্রশ্ন ১৯। ______ প্রতিফলনের ফলে স্পষ্ট প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।
উত্তরঃ নিয়মিত

প্রশ্ন ২০। আপতিত রশ্মি, প্রতিফলিত রশ্মি আপতনবিন্দুতে আঁকা অভিলম্ব একই ______ থাকে।
উত্তরঃ সমতলে

প্রশ্ন ২১। জল বায়ুর মধ্যে লঘুতর মাধ্যম হল ______
উত্তরঃ বায়ু

প্রশ্ন ২২। দুটি ভিন্ন ঘনত্বের মাধ্যমের সংযোগস্থলের তলকে ______ বলে।
উত্তরঃ বিভেদতল

প্রশ্ন ২৩। নক্ষত্রদের ঝিকিমিকি করার কারণ হল আলোর ______
উত্তরঃ প্রতিসরণ

প্রশ্ন ২৪। শূন্য মাধ্যমে আলোর গতিবেগ ______ মিটার/সেকেন্ড।
উত্তরঃ 3×10⁸

প্রশ্ন ২৫। সমতল আয়নার সামনে বস্তুর সমশীর্ষ ও ______ প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।
উত্তরঃ সমদৈর্ঘ্য

প্রশ্ন ২৬। আয়নাকে 1.5 m দূরে সরালে প্রতিবিম্ব বস্তু থেকে ______ m দূরে সরে যায়।
উত্তরঃ 3 m

প্রশ্ন ২৭। বস্তু থেকে আয়না আয়না থেকে প্রতিবিম্বের ______ দূরত্ব হয়।
উত্তরঃ সমান

প্রশ্ন ২৮। সমতল দর্পণে বস্তুর প্রতিবিম্বের ______ পরিবর্তন ঘটে।
উত্তরঃ পার্শ্ব

প্রশ্ন ২৯। জলের মধ্যে অর্ধনিমজ্জিত বস্তুকে বাঁকা দেখায় ______ কারণে।
উত্তরঃ প্রতিসরণের

প্রশ্ন ৩০। দর্পণ থেকে বস্তুর দূরত্ব 10 cm হলে বস্তু থেকে প্রতিবিম্বের দূরত্ব হবে ______
উত্তরঃ 20 cm

WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো

প্রশ্ন ৩১। প্রাকৃতিক বিচ্ছুরণের একটি উদাহরণ হল ______
উত্তরঃ রংধনু

প্রশ্ন ৩২। সাতটি রঙে বিভক্ত আলোর পটিকে একসঙ্গে ______ বলে।
উত্তরঃ বর্ণালি

প্রশ্ন ৩৩। সূর্যের আলো অনেক রঙের সমষ্টি হওয়ায় একে ______ আলো বলা হয়।
উত্তরঃ যৌগিক

প্রশ্ন ৩৪। সূর্যের আলোক বর্ণালির প্রান্তিক দুটি রং হল ______ ও ______
উত্তরঃ বেগুনি ও লাল

প্রশ্ন ৩৫। 1666 খ্রিস্টাব্দে বিচ্ছুরণ আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী ______
উত্তরঃ নিউটন

প্রশ্ন ৩৬। যৌগিক আলো থেকে বিভিন্ন রঙের আলো আলাদা হয়ে যাওয়ার ঘটনাকে ______ বলে।
উত্তরঃ বিচ্ছুরণ

প্রশ্ন ৩৭। ______ বৃদ্ধির ক্রমানুসারে বর্ণালিতে রংগুলি সাজানো থাকে।
উত্তরঃ তরঙ্গদৈর্ঘ্য

প্রশ্ন ৩৮। অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে কোশের ______ অণু ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ______ ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে।
উত্তরঃ DNA, ত্বকের

প্রশ্ন ৩৯। X-Ray আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী ______
উত্তরঃ রন্টজেন

প্রশ্ন ৪০। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে জীবজগৎকে রক্ষা করে ______ স্তর।
উত্তরঃ ওজোন

প্রশ্ন ৪১। ______ রশ্মি চামড়া মাংসপেশি ভেদ করতে পারে কিন্তু হাড় ভেদ করতে পারে না।
উত্তরঃ এক্স-রশ্মি

WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো

 

D. সত্য অথবা মিথ্যা নির্ণয় করো 

 

প্রশ্ন ১। আলো চলাচলের জন্য মাধ্যম অবশ্যই দরকার।
উত্তরঃ সত্য

প্রশ্ন ২। আলো সরলরেখায় চলে।
উত্তরঃ সত্য

প্রশ্ন ৩। যে-কোনো শূন্যস্থান সম্পূর্ণ স্বচ্ছ মাধ্যম।
উত্তরঃ সত্য

প্রশ্ন ৪। সমসত্ত্ব মাধ্যমে আলো সবদিকে সমান গতিতে চলে।
উত্তরঃ সত্য

প্রশ্ন ৫। সূর্য পৃথিবীর মধ্যে আলো অস্বচ্ছ মাধ্যমে চলাচল করে।
উত্তরঃ মিথ্যা

প্রশ্ন ৬। উপচ্ছায়া সৃষ্টির জন্য আলোক উৎস বিন্দুর মতো হওয়া দরকার।
উত্তরঃ মিথ্যা

প্রশ্ন ৭। বিমান উঁচুতে উড়লে তার ছায়া সবসময় মাটিতে পড়ে।
উত্তরঃ মিথ্যা

প্রশ্ন ৮। পিনহোল (সূচিছিদ্র) ক্যামেরা প্রতিবিম্ব গঠন করতে পারে না।
উত্তরঃ মিথ্যা

প্রশ্ন ৯। জানালা বা ভেন্টিলেটরের ফাঁক দিয়ে সূর্যের আলো প্রবেশ করলে দেয়ালে সূর্যের উল্টো প্রতিকৃতি তৈরি হয়।
উত্তরঃ সত্য

প্রশ্ন ১০। সূচিছিদ্র ক্যামেরার সামনে মোমবাতির শিখার সোজা প্রতিকৃতি গঠিত হয়।
উত্তরঃ মিথ্যা

প্রশ্ন ১১। বইয়ের পাতায় আলোর প্রতিফলন বিক্ষিপ্ত প্রতিফলন।
উত্তরঃ সত্য

প্রশ্ন ১২। আপতন কোণ সর্বদা প্রতিফলন কোণের দ্বিগুণ হয়।
উত্তরঃ মিথ্যা

প্রশ্ন ১৩। বক্রতলে আপতিত রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলনের সূত্র মেনে চলে না।
উত্তরঃ মিথ্যা

প্রশ্ন ১৪। আপতন কোণ 0° হলে প্রতিফলন কোণও 0° হয়।
উত্তরঃ সত্য

প্রশ্ন ১৫। ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে গেলে প্রতিসৃত রশ্মি অভিলম্বের দিকে বেঁকে যায়।
উত্তরঃ মিথ্যা

WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো

প্রশ্ন ১৬। জলের মধ্যে লাঠি বাঁকা দেখায় আলোর প্রতিফলনের জন্য।
উত্তরঃ মিথ্যা

প্রশ্ন ১৭। প্রতিসরণের প্রধান কারণ হল দুটি মাধ্যমে আলোর গতিবেগের পার্থক্য।
উত্তরঃ সত্য

প্রশ্ন ১৮। বিক্ষিপ্ত প্রতিফলনের ফলে বস্তুর স্পষ্ট প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।
উত্তরঃ মিথ্যা

প্রশ্ন ১৯। দর্পণ থেকে বস্তুর দূরত্ব এবং দর্পণ থেকে প্রতিবিম্বের দূরত্ব সমান।
উত্তরঃ সত্য

প্রশ্ন ২০। বায়ু জলের মধ্যে বায়ু লঘুতর মাধ্যম।
উত্তরঃ সত্য

প্রশ্ন ২১। সূর্যের আলো একটি যৌগিক আলো।
উত্তরঃ সত্য

প্রশ্ন ২২। সূর্যের আলোর বিচ্ছুরণের ফলেই রংধনু সৃষ্টি হয়।
উত্তরঃ সত্য

প্রশ্ন ২৩। ঘনক (Cube) ব্যবহার করে আলোর বিচ্ছুরণ দেখানো হয়।
উত্তরঃ মিথ্যা

প্রশ্ন ২৪। অসদ্বিম্ব পর্দায় ধরা যায় না।
উত্তরঃ সত্য

প্রশ্ন ২৫। ওজোন স্তর ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ায় ত্বকের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ছে।
উত্তরঃ সত্য

প্রশ্ন ২৬। চামড়ার রঞ্জক অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে না।
উত্তরঃ মিথ্যা

প্রশ্ন ২৭। ডালিয়া গাছে ফুল ফুটতে হলে দিনের দৈর্ঘ্য 12 ঘণ্টার কম হতে হয়।
উত্তরঃ সত্য

WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো

WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো
WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো

আলো অধ্যায় : গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর

প্রশ্ন ১। দিনের বেলায় জিনিসপত্র দেখা যায়, কিন্তু রাত্রিবেলায় অন্ধকারে দেখা যায় না কেন?

উত্তর: আমরা কোনো বস্তু তখনই দেখতে পাই, যখন সেই বস্তুর ওপর আলো পড়ে এবং সেই আলো বস্তু থেকে প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে প্রবেশ করে। দিনের বেলায় সূর্যের আলো থাকায় বস্তু থেকে প্রতিফলন ঘটে এবং আমরা জিনিসপত্র দেখতে পাই। কিন্তু রাত্রিবেলায় আলো না থাকলে প্রতিফলন ঘটে না, তাই অন্ধকারে বস্তু দেখা যায় না।

প্রশ্ন ২। রাত্রিবেলায় জিনিসপত্র দেখতে চাইলে কী করতে হয়?

উত্তর: রাত্রিবেলায় কোনো বস্তু দেখতে হলে সেই বস্তুর ওপর কৃত্রিম আলোর উৎস (যেমন—বাতি, টর্চ, বাল্ব) থেকে আলো ফেলতে হয়। আলো বস্তু থেকে প্রতিফলিত হয়ে চোখে এলে তবেই বস্তু দেখা যায়।

প্রশ্ন ৩। স্বপ্রভ অপ্রভ বস্তুর উদাহরণ লেখ।

উত্তর:

বস্তু স্বপ্রভ অপ্রভ
কেরোসিন ল্যাম্প
পেন
জামার বোতাম
জ্বলন্ত মোমবাতি
জোনাকি
ছাতা
তারা
চশমা
সূর্য
চাঁদ

প্রশ্ন ৪। বিন্দু আলোক উৎস কাকে বলে?

উত্তর: যে আলোক উৎসের আকার অত্যন্ত ছোট এবং কার্যত একটি বিন্দুর মতো মনে হয়, তাকে বিন্দু আলোক উৎস বলে। বাস্তবে সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ বিন্দু উৎস না থাকলেও খুব ক্ষুদ্র আলোক উৎসকে বোঝাতে এই ধারণা ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্ন ৫। বিস্তৃত আলোক উৎস কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর: যে আলোক উৎসের আকার বিন্দু আলোক উৎসের তুলনায় বড়, তাকে বিস্তৃত আলোক উৎস বলে।
উদাহরণ: সূর্য, বৈদ্যুতিক বাল্ব, জ্বলন্ত টর্চ।

প্রশ্ন ৬। আলোর চলাচলের উপর ভিত্তি করে মাধ্যমকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়?

উত্তর: আলোর চলাচলের উপর নির্ভর করে মাধ্যমকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়—

  1. স্বচ্ছ মাধ্যম
  2. অস্বচ্ছ মাধ্যম
  3. ঈষৎ স্বচ্ছ মাধ্যম

প্রশ্ন ৭। স্বচ্ছ মাধ্যম কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর: যে মাধ্যমের মধ্য দিয়ে আলো সহজেই চলাচল করতে পারে, তাকে স্বচ্ছ মাধ্যম বলে।
উদাহরণ: বায়ু, স্বচ্ছ কাঁচ, পরিষ্কার জল।

প্রশ্ন ৮। অস্বচ্ছ মাধ্যম কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর: যে মাধ্যমের মধ্য দিয়ে আলো একেবারেই চলাচল করতে পারে না, তাকে অস্বচ্ছ মাধ্যম বলে।
উদাহরণ: কাঠ, লোহা, দেওয়াল।

প্রশ্ন ৯। ঈষৎ স্বচ্ছ মাধ্যম কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর: যে মাধ্যমের মধ্য দিয়ে আলো আংশিকভাবে যেতে পারে কিন্তু বস্তু স্পষ্ট দেখা যায় না, তাকে ঈষৎ স্বচ্ছ মাধ্যম বলে।
উদাহরণ: ঘষাকাচ, কুয়াশা, তেল মাখানো কাগজ।

প্রশ্ন ১০। মাধ্যম ছাড়া কি আলো চলাচল করতে পারে? উদাহরণসহ লেখ।

উত্তর: হ্যাঁ, আলো কোনো মাধ্যম ছাড়াই চলাচল করতে পারে।
উদাহরণ: সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে প্রায় শূন্যস্থান থাকলেও সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছায়।

WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো

প্রশ্ন ১১। আলো কি বক্র পথে চলাচল করতে পারে? পরীক্ষামূলক যুক্তি দাও।

উত্তর: না, আলো বক্র পথে চলাচল করতে পারে না।
পরীক্ষা: একটি সোজা ফাঁপা পাইপ দিয়ে আলোর উৎসের দিকে তাকালে আলো দেখা যায়, কিন্তু পাইপ বাঁকালে আলো দেখা যায় না। এতে প্রমাণিত হয় আলো সরলরেখায় চলে।

প্রশ্ন ১২। আলোক রশ্মি কাকে বলে?

উত্তর: আলোর চলার পথকে বোঝানোর জন্য যে তীরচিহ্নযুক্ত কাল্পনিক সরলরেখা আঁকা হয়, তাকে আলোক রশ্মি বলে।

প্রশ্ন ১৩। আলোক রশ্মিগুচ্ছ কাকে বলে?

উত্তর: একসঙ্গে চলমান অসংখ্য আলোক রশ্মির সমষ্টিকে আলোক রশ্মিগুচ্ছ বা Beam of Light বলে।

প্রশ্ন ১৪। আলোক রশ্মিগুচ্ছ কয় প্রকার কী কী?

উত্তর: আলোক রশ্মিগুচ্ছ তিন প্রকার—

  1. সমান্তরাল আলোক রশ্মিগুচ্ছ
  2. অপসারী আলোক রশ্মিগুচ্ছ
  3. অভিসারী আলোক রশ্মিগুচ্ছ

প্রশ্ন ১৫। প্রচ্ছায়া কাকে বলে?

উত্তর: আলোক উৎসের সামনে কোনো অস্বচ্ছ বস্তু রাখলে পর্দায় যে গাঢ় অন্ধকার অংশ সৃষ্টি হয়, তাকে প্রচ্ছায়া বলে।

প্রশ্ন ১৬। উপচ্ছায়া কাকে বলে?

উত্তর: প্রচ্ছায়ার চারপাশে যে আবছা অন্ধকার অঞ্চল তৈরি হয়, তাকে উপচ্ছায়া বলে।

প্রশ্ন ১৬। কোন ধরনের আলোক উৎসের ক্ষেত্রে উপচ্ছায়া সৃষ্টি হয় না?

উত্তর: বিন্দু আলোক উৎসের ক্ষেত্রে উপচ্ছায়া সৃষ্টি হয় না। কারণ বিন্দু আলোক উৎস থেকে আলো একটি নির্দিষ্ট দিক থেকেই আসে, ফলে কেবলমাত্র প্রচ্ছায়া গঠিত হয়।

প্রশ্ন ১৭। আলোর একটি প্রধান ধর্ম লেখ।

উত্তর: আলোর একটি প্রধান ধর্ম হলো— আলো সরলরেখায় চলাচল করে।

প্রশ্ন ১৮। নিচের ঘটনাগুলির ক্ষেত্রে হাতের ছায়ার কী পরিবর্তন ঘটবে লেখ।

(ক) হাতকে আলোক উৎসের কাছে নিয়ে গেলে কী হবে?
উত্তর: হাতকে আলোক উৎসের কাছে আনলে ছায়ার আকার ধীরে ধীরে বড় হয়।

(খ) হাতকে পর্দার কাছে নিয়ে গেলে কী হবে?
উত্তর: হাতকে পর্দার কাছে আনলে ছায়া ছোট হতে থাকে এবং পর্দায় হাত স্পর্শ করার ঠিক আগে ছায়ার দৈর্ঘ্য হাতের দৈর্ঘ্যের সমান হয়।

(গ) আলোক উৎসকে হাতের কাছ থেকে দূরে সরালে কী হবে?
উত্তর: আলোক উৎস দূরে সরালে ছায়া ক্রমশ ছোট হয়ে যায়।

(ঘ) আলোক উৎসকে হাতের কাছে আনতে থাকলে কী হবে?
উত্তর: আলোক উৎস হাতের কাছে আনলে ছায়ার আকার ক্রমশ বড় হতে থাকে।

প্রশ্ন ১৯। প্রচ্ছায়া উপচ্ছায়ার পার্থক্য লেখ।

প্রচ্ছায়া উপচ্ছায়া

১. বিন্দু আলোক উৎসের ক্ষেত্রে প্রচ্ছায়া সৃষ্টি হয় ১. বিস্তৃত আলোক উৎসের ক্ষেত্রে উপচ্ছায়া সৃষ্টি হয়

২. এটি গাঢ় অন্ধকার অঞ্চল ২. এটি আবছা অন্ধকার অঞ্চল

৩. কেবলমাত্র প্রচ্ছায়া সৃষ্টি হতে পারে ৩. উপচ্ছায়া একা সৃষ্টি হতে পারে না

৪. এখানে আলো একেবারেই প্রবেশ করে না ৪. এখানে আলোক উৎসের কিছু অংশের আলো প্রবেশ করে

WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো

প্রশ্ন ২০। সূচিছিদ্র ক্যামেরার গঠন লেখ।

উত্তর: সূচিছিদ্র ক্যামেরা তৈরির জন্য একটি কার্ডবোর্ড বা জুতোর বাক্স নেওয়া হয়। বাক্সের এক পাশে সুচ বা পেরেক দিয়ে খুব ছোট একটি ছিদ্র করা হয়। ঠিক বিপরীত পাশে ট্রেসিং পেপার বা ঘষা কাচ লাগানো হয়, যা পর্দা হিসেবে কাজ করে।

প্রশ্ন ২১। সূচিছিদ্র ক্যামেরার কার্যপ্রণালী লেখ।

উত্তর: অন্ধকার ঘরে ক্যামেরার ছিদ্রের সামনে একটি জ্বলন্ত মোমবাতি রাখলে আলো সরলরেখায় চলাচল করে ছিদ্র দিয়ে প্রবেশ করে। এই সূক্ষ্ম ছিদ্র কার্যত বিন্দু আলোক উৎসের মতো কাজ করে এবং পর্দায় মোমবাতির শিখার উল্টো প্রতিকৃতি গঠিত হয়।

প্রশ্ন ২২। সূচিছিদ্র ক্যামেরায় নিচের পরিবর্তন করলে কী ঘটবে লেখ।

(ক) শিখাকে ছিদ্রের কাছে আনলে কী হবে?
উত্তর: প্রতিকৃতির আকার বড় হবে।

(খ) শিখা ছিদ্রের দূরত্ব অপরিবর্তিত রেখে পর্দার দূরত্ব বাড়ালে কী হবে?
উত্তর: প্রতিকৃতি আরও বড় হবে।

(গ) ছিদ্র পর্দার দূরত্ব কমালে কী হবে?
উত্তর: প্রতিকৃতি ছোট হবে।

(ঘ) ছিদ্র বড় করলে কী হবে?
উত্তর: প্রতিকৃতি অস্পষ্ট হয়ে যাবে।

প্রশ্ন ২৩। ছায়ার দৈর্ঘ্য কখন সবচেয়ে ছোট হয়?

উত্তর: দুপুরবেলায়, যখন সূর্য ঠিক মাথার ওপর থাকে, তখন ছায়ার দৈর্ঘ্য সবচেয়ে ছোট হয়।

প্রশ্ন ২৪। ছায়ার দৈর্ঘ্য কখন সবচেয়ে বড় হয়?

উত্তর: সকালবেলা ও বিকেলবেলায় সূর্য হেলে থাকার কারণে ছায়ার দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বড় হয়।

প্রশ্ন ২৫। আলোর প্রতিফলন কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর: আলোক রশ্মি যখন কোনো মসৃণ বা অমসৃণ তলের ওপর পড়ে সেই তল থেকে ফিরে আসে বা ছড়িয়ে পড়ে, তখন সেই ঘটনাকে আলোর প্রতিফলন বলে।
উদাহরণ: আয়নায় নিজের মুখ দেখা।

প্রশ্ন ২৬। আলোর প্রতিফলন কয় প্রকার কী কী?

উত্তর: আলোর প্রতিফলন দুই প্রকার—

  1. নিয়মিত প্রতিফলন
  2. বিক্ষিপ্ত প্রতিফলন

প্রশ্ন ৩১। নিয়মিত প্রতিফলন কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর: যখন আলোক রশ্মি কোনো মসৃণ ও চকচকে তলে আপতিত হয়ে প্রতিফলনের পর একই নির্দিষ্ট দিকে অগ্রসর হয়, তখন সেই প্রতিফলনকে নিয়মিত প্রতিফলন বলে।
উদাহরণ: আয়না দ্বারা আলোর প্রতিফলন।

WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো

প্রশ্ন ৩২। বিক্ষিপ্ত প্রতিফলন কাকে বলে? উদাহরণ লেখ।

উত্তর:
যখন আলোক রশ্মীগুচ্ছ কোনো অমসৃণ তলে পড়ে প্রতিফলনের পর বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে, তখন তাকে বিক্ষিপ্ত প্রতিফলন বলা হয়।
উদাহরণ: ঘরের দেওয়াল দ্বারা আলোর প্রতিফলন।

প্রশ্ন ৩৩। নিয়মিত প্রতিফলন বিক্ষিপ্ত প্রতিফলনের পার্থক্য লেখ।

উত্তর:

নিয়মিত প্রতিফলন বিক্ষিপ্ত প্রতিফলন

১. প্রতিফলক তল মসৃণ ও চকচকে ১. প্রতিফলক তল অমসৃণ ও অনুজ্জ্বল

২. প্রতিফলনের দিক নিয়ন্ত্রণ করা যায় ২. প্রতিফলনের দিক নিয়ন্ত্রণ করা যায় না

৩. প্রতিফলিত রশ্মি একই দিকে যায় ৩. প্রতিফলিত রশ্মি চারদিকে ছড়ায়

৪. আয়না দ্বারা প্রতিফলন উদাহরণ ৪. বইয়ের পৃষ্ঠা, দেওয়াল দ্বারা প্রতিফলন উদাহরণ

প্রশ্ন ৩৪। আপতিত আলোকরশ্মি কাকে বলে?

উত্তর: যে আলোক রশ্মি প্রতিফলক তলের ওপর এসে পড়ে, তাকে আপতিত আলোকরশ্মি (Incident Ray) বলে।

প্রশ্ন ৩৫। প্রতিফলিত আলোকরশ্মি কাকে বলে?

উত্তর: প্রতিফলক তলে আপতিত হওয়ার পর যে আলোক রশ্মি ফিরে যায়, তাকে প্রতিফলিত আলোকরশ্মি (Reflected Ray) বলে।

প্রশ্ন ৩৬। আপাতন বিন্দু কাকে বলে?

উত্তর: প্রতিফলক তলের যে বিন্দুতে আপতিত আলোকরশ্মি এসে পড়ে, সেই বিন্দুকে আপাতন বিন্দু (Point of Incidence) বলে।

প্রশ্ন ৩৭। অভিলম্ব বলতে কী বোঝো?

উত্তর: আপাতন বিন্দুতে প্রতিফলক তলের ওপর অঙ্কিত লম্ব রেখাকে অভিলম্ব (Normal) বলা হয়।

প্রশ্ন ৩৮। আপতন কোণ কাকে বলে?

উত্তর: আপতিত আলোকরশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যবর্তী কোণকে আপতন কোণ (Angle of Incidence) বলে।

প্রশ্ন ৩৯। প্রতিফলন কোণ কাকে বলে?

উত্তর: প্রতিফলিত আলোকরশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যবর্তী কোণকে প্রতিফলন কোণ (Angle of Reflection) বলা হয়।

প্রশ্ন ৪০। আপতন কোণ প্রতিফলন কোণের মধ্যে কী সম্পর্ক আছে?

উত্তর: আপতন কোণ ও প্রতিফলন কোণের মান সর্বদা সমান

WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো

প্রশ্ন ৪১। আলোর প্রতিফলনের কয়টি সূত্র আছে?

উত্তর: আলোর প্রতিফলনের দুটি সূত্র আছে।

প্রশ্ন ৪২। আলোর প্রতিফলনের সূত্র দুটি লেখ।

উত্তর:

  1. আপতিত রশ্মি, প্রতিফলিত রশ্মি এবং আপাতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব একই সমতলে অবস্থান করে।
  2. আপতন কোণ ও প্রতিফলন কোণের মান সমান হয়।

প্রশ্ন ৪৩। নিয়মিত প্রতিফলনের তিনটি উদাহরণ লেখ।

উত্তর:

  1. আয়না দ্বারা প্রতিফলন
  2. চকচকে কাঁচ দ্বারা প্রতিফলন
  3. চকচকে স্টিলের থালা দ্বারা প্রতিফলন

প্রশ্ন ৪৪। বিক্ষিপ্ত প্রতিফলনের তিনটি উদাহরণ লেখ।

উত্তর:

  1. ঘরের দেওয়াল দ্বারা প্রতিফলন
  2. বইয়ের পৃষ্ঠা দ্বারা প্রতিফলন
  3. ঘষা কাচ দ্বারা প্রতিফলন

প্রশ্ন ৪৬। নিয়মিত বিক্ষিপ্ত উভয় প্রতিফলনই কি প্রতিফলনের সূত্র মেনে চলে?

উত্তর: হ্যাঁ, নিয়মিত ও বিক্ষিপ্ত উভয় প্রতিফলনই প্রতিফলনের দুটি সূত্র মেনে চলে

প্রশ্ন ৪৮। আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে?

উত্তর: আলোক রশ্মি যখন এক মাধ্যম থেকে অন্য ভিন্ন ঘনত্বের মাধ্যমে প্রবেশ করে এবং তার গতিপথ পরিবর্তিত হয়, তখন সেই ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।

প্রশ্ন ৪৯। বিভেদ তল কাকে বলে?

উত্তর: দুটি ভিন্ন ঘনত্বের মাধ্যমের সংযোগস্থলে যে তল গঠিত হয়, তাকে ঐ দুই মাধ্যমের বিভেদ তল বলা হয়।

প্রশ্ন ৫০। প্রতিসৃত রশ্মি কাকে বলে?

উত্তর: আলোক রশ্মি বিভেদ তলে আপতিত হয়ে দ্বিতীয় মাধ্যমে প্রবেশ করার পর যে নতুন পথে অগ্রসর হয়, সেই আলোক পথকে প্রতিসৃত রশ্মি বলা হয়।

WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো

প্রশ্ন ৫১। প্রতিসরণ কোণ কাকে বলে?

উত্তর: অভিলম্ব ও প্রতিসৃত আলোকরশ্মির মধ্যবর্তী কোণকে প্রতিসরণ কোণ বলা হয়।

প্রশ্ন ৫২। আলোকরশ্মি লঘু মাধ্যম থেকে ঘন মাধ্যমে গেলে কী পরিবর্তন হয়?

উত্তর: আলোকরশ্মি লঘু মাধ্যম থেকে ঘন মাধ্যমে প্রবেশ করলে প্রতিসরণ কোণের মান আপতন কোণের চেয়ে ছোট হয়। অর্থাৎ প্রতিসৃত রশ্মি অভিলম্বের দিকে সরে যায়

প্রশ্ন ৫৩। আলোকরশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে গেলে কী ঘটে?

উত্তর: ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে প্রবেশ করলে প্রতিসরণ কোণের মান আপতন কোণের চেয়ে বড় হয়। অর্থাৎ প্রতিসৃত রশ্মি অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়

প্রশ্ন ৫৪। আলোর প্রতিফলন প্রতিসরণ কি একই সাথে ঘটতে পারে?

উত্তর: হ্যাঁ, একই সঙ্গে ঘটতে পারে। কারণ আপতিত আলোকরশ্মির একাংশ দ্বিতীয় মাধ্যমে প্রতিসৃত হয় এবং অপর অংশ প্রথম মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে।

প্রশ্ন ৫৫। প্রতিবিম্ব কাকে বলে?

উত্তর: কোনো বিন্দু উৎস থেকে আগত আলোকরশ্মি প্রতিফলন বা প্রতিসরণের পর যদি অন্য কোনো বিন্দুতে মিলিত হয় বা সেখান থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয়, তবে সেই বিন্দুকে প্রথম উৎসের প্রতিবিম্ব বলে।

প্রশ্ন ৫৬। প্রতিবিম্ব কয় প্রকার কী কী?

উত্তর:
প্রতিবিম্ব দুই প্রকার—

  1. সদবিম্ব
  2. অসদবিম্ব

প্রশ্ন ৫৭। সদবিম্ব কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর: যখন আলোকরশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলন বা প্রতিসরণের পর বাস্তবভাবে কোনো বিন্দুতে মিলিত হয়, তখন গঠিত প্রতিবিম্বকে সদবিম্ব বলে।
উদাহরণ: সিনেমার পর্দায় গঠিত প্রতিবিম্ব।

প্রশ্ন ৫৮। অসদবিম্ব কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর:যখন আলোকরশ্মিগুচ্ছ কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয় কিন্তু বাস্তবে মিলিত হয় না, তখন গঠিত প্রতিবিম্বকে অসদবিম্ব বলে।
উদাহরণ: আয়নায় গঠিত প্রতিবিম্ব।

প্রশ্ন ৫৯। সদবিম্ব অসদবিম্বের পার্থক্য লেখ।

সদবিম্ব অসদবিম্ব

১. বাস্তবে রশ্মির মিলন ঘটে ১. বাস্তব মিলন ঘটে না

২. পর্দায় ফেলা যায় ২. পর্দায় ফেলা যায় না

৩. অবশীর্ষ হয় ৩. সমশীর্ষ হয়

৪. উত্তল লেন্স ও অবতল দর্পণে গঠিত ৪. সব দর্পণ ও লেন্সে গঠিত হতে পারে

প্রশ্ন ৬০। সমতল আয়নায় গঠিত প্রতিবিম্বের বৈশিষ্ট্য লেখ।

উত্তর:

  1. প্রতিবিম্ব বস্তুর সমান আকারের হয়।
  2. বস্তুর দূরত্ব ও প্রতিবিম্বের দূরত্ব সমান।
  3. পার্শ্বীয় পরিবর্তন ঘটে।
  4. প্রতিবিম্ব সমশীর্ষ ও অসদবিম্ব।

প্রশ্ন ৬১। আয়নায় কোন কোন অক্ষরের পার্শ্ব পরিবর্তন হয়?

উত্তর:B, C, D, E, F, G, J, K, L, N, P, Q, R, S, Z

WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.2 আলো

প্রশ্ন ৬২। অ্যাম্বুলেন্সে AMBULANCE শব্দটি উল্টো লেখা থাকে কেন?

উত্তর:আয়নায় প্রতিবিম্বে পার্শ্বীয় পরিবর্তন ঘটে। তাই সামনের গাড়ির চালক রিয়ার ভিউ মিররে শব্দটি সোজা পড়তে পারে এবং দ্রুত রাস্তা ছেড়ে দেয়।

প্রশ্ন ৬৩। জলভর্তি গ্লাসে কলম বাঁকা দেখায় কেন?

উত্তর:জল (ঘন মাধ্যম) থেকে বায়ুতে (লঘু মাধ্যম) আলোকরশ্মি প্রতিসৃত হওয়ার সময় অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়। ফলে কলমের ডোবা অংশ উপরে উঠে এসেছে বলে মনে হয়।

Related Post

আমাদের পরিবেশ ক্লাস  3 অধ্যায়সমুহ  Environmental Studies All Chapters for Success

চতুর্থ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান বিষয়ের অধ্যায়সমুহ Class 4 Environmental Studies All Chapters for Sure Success

WB Class 5 Amader Poribesh Book 2025 – Full Syllabus & PDF Download

WB Class 6 Amader Poribesh Suchipotro 2025 Sure Success

WB Class 7 Amader Poribesh Suchipotro 2026 Sure Success

WB Class 7 Amader Poribesh Chapter 1.1 Tap (Heat)Questions and Answars Sure Success

WIKIPEDIA LINK     পশ্চিমবঙ্গ_মধ্য_শিক্ষা_পর্ষদ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Index