wbclassroom.in

WB Class 5 Amader Poribesh Chapter 3

WB Class 5 Amader Poribesh Chapter 3 Question & Answar Sure Success

পঞ্চম শ্রেণী
আমাদের পরিবেশ তৃতীয় অধ্যায়
পশ্চিম বঙ্গের সাধারণ পরিচিতি

 

WB Class 5 Amader Poribesh Chapter 3

সকল প্রিয় ছাত্র ছাত্রীরা আমাদের ওয়েবসাইট এ পশ্চিমবঙ্গের স্কুলের সকল শ্রেণীর সকল বিষয়ের গুরুত্ব পূর্ণ  নোট পত্র ও সাজেসন আপলোড করা হয় । আজকে পঞ্চম শ্রেণীর আমাদের পরিবেশ বিষয়ের তৃতীয় অধ্যায়ের প্রশ্ন পত্র আপলোড করছি ।পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রীরা জন্য আমাদের পরিবেশ বইয়ের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধানগুলি ব্যবহার করে আরও ভালো ফল করা সম্ভব।

 

জমির ঢাল বা ভূমির ঢাল

 

১.পশ্চিমবঙ্গের ভূমির ঢাল কোন দিক থেকে কোনদিকে বিস্তৃত?
উত্তর : উত্তর থেকে দক্ষিণে এবং পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে বিস্তৃত।

২.পশ্চিমবঙ্গের নদীগুলির প্রবাহ কোনদিকে?
উত্তর : বেশিরভাগ নদী উত্তর থেকে দক্ষিণমুখী। তবে দামোদর নদ পশ্চিম থেকে পূর্বে বয়ে গিয়ে শেষে দক্ষিণে গঙ্গায় মিলেছে।

৩.দামোদর নদ দক্ষিণে গিয়ে কোথায় মিশেছে?
উত্তর : গঙ্গা নদীতে।

৪.দামোদর যেখানে গঙ্গায় মিশেছে সেখানে গঙ্গার নাম কী?
উত্তর : হুগলি নদী।

৫.কালভার্ট বলতে কী বোঝায়?
উত্তর : রাস্তার নিচ দিয়ে জল প্রবাহের জন্য তৈরি করা কংক্রিটের পাইপ বা সুড়ঙ্গকে কালভার্ট বলা হয়।

WB Class 5 Amader Poribesh Chapter 3

WB Class 5 Amader Poribesh Chapter 3
WB Class 5 Amader Poribesh Chapter 3

পশ্চিমের মালভূমি অঞ্চল

 

১.পশ্চিমবঙ্গের কোনদিকে মালভূমি অঞ্চল অবস্থিত?
উত্তর : পশ্চিমদিকে।

২. এই অঞ্চল কোন কোন জেলা নিয়ে গঠিত?
উত্তর : পুরুলিয়া জেলা সম্পূর্ণ এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, বীরভূম ও বর্ধমানের পশ্চিম অংশ।

৩.পশ্চিমবঙ্গের মালভূমি অঞ্চল কোন মালভূমির অংশ?
উত্তর : ছোটনাগপুর মালভূমির অংশ।

৪. অঞ্চলের মাটির রং লালচে কেন?
উত্তর : কারণ মাটিতে লোহার অক্সাইড মিশে থাকে।

৫.মাটিতে কী কী উপাদান মেশানো থাকে?
উত্তর : পাথর ও কাঁকর।

৬.বাঁকুড়ায় কিসের জঙ্গল দেখা যায়?
উত্তর : শালগাছের জঙ্গল।

৭. শালপাতা দিয়ে কী তৈরি হয়?
উত্তর : পরিবেশবান্ধব প্লেট।

৮. অঞ্চলে কী কী গাছ জন্মে?
উত্তর : শাল, সেগুন, পলাশ ও মেহগনি।

৯.পশ্চিমবঙ্গের মালভূমি অঞ্চলের কয়েকটি পাহাড়ের নাম লেখ।
উত্তর :  মামা-ভাগ্নে পাহাড় (বীরভূম), শুশুনিয়া পাহাড় (বাঁকুড়া), অযোধ্যা পাহাড় (পুরুলিয়া)।

১০.এই অঞ্চলের প্রধান নদী কোনটি?
উত্তর :  দামোদর নদ।

মালভূমি অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য:

  • ভূমি ঢেউ খেলানো ও উঁচু-নিচু।
  • গড় উচ্চতা ৩০০ মিটারের কম।
  • মাটি অনুর্বর, লালচে ও পাথরযুক্ত।

WB Class 5 Amader Poribesh Chapter 3

রাঢ় অঞ্চল

 

১.রাঢ়’ কথার অর্থ কী?
উত্তর : পাথুরে বা শক্ত জমি।

২. রাঢ় অঞ্চল কাকে বলে?
উত্তর : মালভূমির পূর্বে ও ভাগীরথীর পশ্চিমে অবস্থিত ঢেউ খেলানো রুক্ষ সমভূমিকে রাঢ় অঞ্চল বলা হয়।

৩. বাঁকুড়ার মধ্য দিয়ে কোন নদী বয়ে গেছে?
উত্তর : দ্বারকেশ্বর নদ।

৪.দ্বারকেশ্বর শিলাবতী নদী কোথায় মিলিত হয়েছে?
পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালে।

৫.এই মিলিত প্রবাহের নাম কী?
উত্তর :  রূপনারায়ণ নদী।

৬.রূপনারায়ণ কোথায় গিয়ে মিশেছে?
উত্তর :  হুগলি নদীতে।

৭.কেলেঘাই কংসাবতী মিলে কোন নদী গঠন করেছে?
উত্তর : হলদি নদী।

৮. দামোদর থেকে কোন নদী উৎপন্ন হয়েছে?
উত্তর : মুন্ডেশ্বরী নদী।

৯. বীরভূমের দুটি গুরুত্বপূর্ণ নদী কোনগুলি?
উত্তর : অজয় ও ময়ূরাক্ষী।

১০.রাঢ় অঞ্চলের প্রধান মাটির ধরন কী?
উত্তর : দোআঁশ মাটি।

১১. অঞ্চলে কোন কোন গাছ পাওয়া যায়?
উত্তর : শাল, সেগুন, শিশু, মেহগনি।

১২. চাষাবাদ কীভাবে শুরু হয়েছিল?
উত্তর : ঘন বনজঙ্গল কেটে কৃষিকাজ শুরু হয়েছিল।

১৩. রাঢ় অঞ্চলের প্রধান শিল্পাঞ্চল কোনগুলি?
উত্তর : হলদিয়া শিল্পাঞ্চল ও খড়গপুর শিল্পাঞ্চল।

১৪. এই শহরগুলি কোন জেলায় অবস্থিত?

  • হলদিয়া – পূর্ব মেদিনীপুর
  • বিষ্ণুপুর – বাঁকুড়া
  • দুর্গাপুর – বর্ধমান

রাঢ় অঞ্চলের ভূমিরূপের বৈশিষ্ট্য:

1.নদীর পলি জমে অঞ্চলটি গঠিত হয়েছে।

2.ভূমি পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে ঢালু।

3.দোআঁশ মাটি কৃষিকাজের জন্য উপযোগী।

WB Class 5 Amader Poribesh Chapter 3

 

WB Class 5 Amader Poribesh Chapter 3
WB Class 5 Amader Poribesh Chapter 3

বরফগলা জলের নদী

 

১. কয়েকটি বরফগলা জলে পুষ্ট নদীর নাম লেখ।
উত্তর :  গঙ্গা, তিস্তা, তোর্সা, জলঙ্গী, ইছামতী প্রভৃতি নদী বরফগলা জলে পুষ্ট।

২. নিত্যবহ নদী বলতে কী বোঝায়?
উত্তর : যেসব নদী বরফগলা জলে পুষ্ট হয়ে সারা বছর জুড়ে প্রবাহিত থাকে এবং নৌ-পরিবহণের উপযোগী হয়, তাদের নিত্যবহ নদী বলে। যেমন – গঙ্গা, তিস্তা, তোর্সা, জলঙ্গী।

৩. গঙ্গা নদীর উৎস কোথায়?
উত্তর : উত্তরাখণ্ড রাজ্যের গঙ্গোত্রী হিমবাহের গোমুখ গুহা থেকে গঙ্গা নদীর উৎপত্তি।

৪. গঙ্গা নদী কোন সাগরে গিয়ে মিশেছে?
উত্তর : বঙ্গোপসাগরে।

৫. গঙ্গা নদী পশ্চিমবঙ্গে কোন জেলায় প্রবেশ করেছে?
উত্তর : মুর্শিদাবাদ জেলায়।

৬. গঙ্গা নদী কোথায় এসে দুটি ভাগে বিভক্ত হয়েছে?
উত্তর : মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলার কাছে।

৭. গঙ্গার দুটি প্রধান শাখানদীর নাম লেখ।
উত্তর : পদ্মা ও ভাগীরথী।

৮. গঙ্গার কোন শাখানদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
উত্তর : পদ্মা নদী।

৯. পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে দিয়ে গঙ্গার কোন শাখানদী প্রবাহিত হয়েছে?
উত্তর : ভাগীরথী নদী।

১০.নদীয়া জেলার কয়েকটি নদীর নাম লেখ।
উত্তর : জলঙ্গী, মাথাভাঙ্গা ও ইছামতী নদী।

১১. পর্বতের চূড়ায় বরফ জমে থাকে কেন?
উত্তর : সূর্যের তাপে জল বাষ্প হয়ে উপরে উঠে ঠান্ডা বাতাসের সংস্পর্শে এসে তুষারে পরিণত হয়। পাহাড়ের চূড়ায় তাপমাত্রা কম থাকায় এই তুষার জমে বরফ হয়ে থাকে।

১২. গঙ্গা নদীর গতিপথ সংক্ষেপে লেখ।
উত্তর : গঙ্গা নদী হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়ে উত্তরপ্রদেশ ও বিহার অতিক্রম করে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে প্রবেশ করে। এখানে এটি দুটি শাখায় বিভক্ত হয়— একদিকে পদ্মা নদী বাংলাদেশে প্রবাহিত হয়, অন্যদিকে ভাগীরথী-হুগলি নদী পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে দিয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে মিশে যায়।

WB Class 5 Amader Poribesh Chapter 3

 

আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি

 

১. গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ কাকে বলে?
উত্তর : গঙ্গার দুটি শাখা পদ্মা ও ভাগীরথীর মাঝখানে পলি, বালি ও কাদা জমে যে উর্বর ভূমি তৈরি হয়েছে, তাকে গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ বলে।

২. গাঙ্গেয় ব-দ্বীপের মাটি উর্বর কেন?

উত্তর : এই অঞ্চলের মাটি নদীবাহিত পলিমাটি দিয়ে তৈরি, যা বালি ও কাদার সুষম মিশ্রণ। তাই এর জলধারণ ক্ষমতা বেশি এবং মাটি অত্যন্ত উর্বর।

৩. সুন্দরবন পশ্চিমবঙ্গের কোনদিকে অবস্থিত?
উত্তর : একেবারে দক্ষিণদিকে।

৪. সুন্দরবন অঞ্চলের মাটির প্রকৃতি কেমন?
উত্তর :  মাটি নোনা ও আর্দ্র প্রকৃতির।

৫. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা কোন গান দুটি দেশের জাতীয় সংগীত?
উত্তর : ভারত ও বাংলাদেশের।

৬. বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত কোনটি?
উত্তর : “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি”।

৭. এই গানটি কে কখন লিখেছিলেন?
উত্তর : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে গানটি লিখেছিলেন।

৮. কোন ঘটনার প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ গানটি লিখেছিলেন?
উত্তর : বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে।

৯. রবীন্দ্রনাথ কোন অঞ্চল দেখে মাতৃভূমিকে ‘সোনার বাংলা’ বলেছেন?
উত্তর :  শিলাইদহ অঞ্চল দেখে।

১০.গঙ্গার তীরে রবীন্দ্রনাথের বাড়ি কোথায় ছিল?
উত্তর : কলকাতার জোড়াসাঁকোতে।

১১. পদ্মার তীরে তাঁর পৈত্রিক জমিদারি কোথায় ছিল?
উত্তর : শিলাইদহতে।

১২. বঙ্গভঙ্গ কবে হয়েছিল?
উত্তর : ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে।

১৩. বঙ্গভঙ্গ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর : ১৯০৫ সালে ইংরেজ সরকার প্রশাসনিক কারণে বাংলা প্রদেশকে দুটি ভাগে বিভক্ত করার পরিকল্পনা নেয়— একেই বঙ্গভঙ্গ বলা হয়।

১৪. মানুষ কীভাবে বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদ করেছিল?
উত্তর : বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে স্বদেশী ও বয়কট আন্দোলনের সূচনা হয়। মানুষ বিদেশি জিনিসপত্র বর্জন করে চরকা কেটে সুতো তৈরি করে নিজ হাতে পোশাক বানায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই সময় ‘রাখীবন্ধন উৎসব’ চালু করে ঐক্যের বার্তা দেন।

WB Class 5 Amader Poribesh Chapter 3

 

নদীতীরের সভ্যতা (Civilization on Riverbanks)

 

১.সভ্যতা কাকে বলে?
উত্তর : মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিকাশের মাধ্যমে যে উন্নত সমাজ গড়ে ওঠে, তাকেই সভ্যতা বলে।

২. প্রাচীন সভ্যতাগুলির অবস্থান কোথায় ছিল?
উত্তর : পৃথিবীর বেশিরভাগ প্রাচীন সভ্যতা নদীর তীরবর্তী এলাকায় গড়ে উঠেছিল।

৩.নদীমাতৃক সভ্যতা কাকে বলে?
উত্তর : নদীকে কেন্দ্র করে যে সভ্যতার বিকাশ ঘটে, তাকে নদীমাতৃক সভ্যতা বলা হয়। যেমন—হরপ্পা সভ্যতা।

৪. নদীর তীরে সভ্যতা গড়ে ওঠার কারণ:

উত্তর :

1.নদীর পলিমাটি কৃষির উপযোগী।

2.পানীয় জল ও সেচের সুবিধা ছিল।

3.নদীপথে সহজে যাতায়াত ও বাণিজ্য করা যেত।

৫. নদীয়া চব্বিশ পরগনার পূর্বদিকে কোন নদী অবস্থিত?
উত্তর : ইছামতী নদী।

৬. নদীয়ার পশ্চিমদিকে কোন নদী প্রবাহিত?
উত্তর : গঙ্গা নদী।

৭. বিদ্যাধরী নদীর ধারে কোন রাজার দুর্গ ছিল?
উত্তর : চন্দ্রকেতু রাজার দুর্গ, যাকে স্থানীয় মানুষ ‘গড়’ বলত।

৮. নদীয়া জেলার বিখ্যাত বন:
উত্তর : বেথুয়াডহরি বন, যেখানে শাল, সেগুন, শিশু, কৃষ্ণচূড়া প্রভৃতি গাছ দেখা যায়।

৯. বেথুয়াডহরির প্রাণীজগৎ:
উত্তর : হরিণ ও কাঠবিড়ালি প্রধান প্রাণী।

১০.উত্তর চব্বিশ পরগনার পুরনো বন:
উত্তর : পারমাদান বন, বর্তমানে ‘বিভূতিভূষণ অভয়ারণ্য’।

WB Class 5 Amader Poribesh Chapter 3

 

সুন্দরবন (The Sundarbans)

 

১. সুন্দরবন কোথায় অবস্থিত?
উত্তর : গাঙ্গেয় সমভূমির দক্ষিণ প্রান্তে, বঙ্গোপসাগরের তীরে।

২. সুন্দরবনের বয়স:
উত্তর : প্রায় সাত থেকে আট হাজার বছর পুরনো।

৩. বিখ্যাত প্রাণী:
উত্তর : রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার।

৪. সুন্দরবনের প্রধান নদীগুলি:
উত্তর : মাতলা, বিদ্যাধরী, কালিন্দী, রায়মঙ্গল ইত্যাদি।

৫. সুন্দরবনের নামের উৎপত্তি:
উত্তর : সুন্দরী গাছের প্রাচুর্যের কারণে এ অঞ্চলের নাম হয়েছে সুন্দরবন।

৬. মাটি জল:

উত্তর :

1.মাটি লবণাক্ত প্রকৃতির।

2.সমুদ্রের জলের সঙ্গে সংযোগ থাকায় জলও নোনতা।

৭. সুন্দরবনে দ্বীপ সংখ্যা:
উত্তর : মোট ১০২টি দ্বীপের মধ্যে ৪৮টিতে ঘন বন আছে।

৮. নদীগুলির গন্তব্য:
উত্তর : সব নদীই বঙ্গোপসাগরে মিশেছে।

৯. মাছ চাষ:
উত্তর : গলদা ও বাগদা চিংড়ি মাছের চাষ হয়।

 ১০.সুন্দরবনের গাছের মূলের ধরন:

উত্তর :

শ্বাসমূল: বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণে সহায়ক।

ঠেসমূল: কাদামাটিতে গাছকে সোজা থাকতে সাহায্য করে।

১১. ম্যানগ্রোভ জাতীয় গাছ:
উত্তর : যেসব গাছের শ্বাসমূল ও ঠেসমূল থাকে, যেমন সুন্দরী, গেওয়া, হেতাল, হোগলা—তাদের ম্যানগ্রোভ গাছ বলে।

১২. পাখিরালয়:
উত্তর : সজনেখালিতে একটি বিখ্যাত পাখিরালয় আছে।

১৩. প্রাণিজগৎ:
উত্তর : রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, কুমির, বুনো শুয়োর, চিতল হরিণ, মেছো বিড়াল ইত্যাদি।

১৪. মানুষের জীবিকা:

উত্তর :

1.মাছ ধরা ও বিক্রি করা।

2.কাঠ, মধু, গোলপাতা সংগ্রহ।

3.খাঁড়িতে মাছ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ।

১৫. সুন্দরবন ধ্বংসের কারণ:

উত্তর :

1.জোয়ার-ভাটার প্রভাব

2.অতিরিক্ত সম্পদ আহরণ

3.জলবায়ু পরিবর্তনে সমুদ্রজল বৃদ্ধি

WB Class 5 Amader Poribesh Chapter 3

 

কোথায় উঁচু কোথায় নিচু (Height & Landforms of West Bengal)

 

১. কোনো অঞ্চলের উচ্চতা কীভাবে মাপা হয়?
উত্তর : সমুদ্রের জলের তল থেকে কোনো অঞ্চলের উচ্চতা মাপা হয়।

২.পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে উঁচু অঞ্চল:
উত্তর : পশ্চিমের মালভূমি অঞ্চল

৩. সবচেয়ে নিচু অঞ্চল:
উত্তর : সুন্দরবন অঞ্চল

৪.দক্ষিণবঙ্গ কোন অঞ্চলকে বলে?
উত্তর : মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে দক্ষিণের অংশকে দক্ষিণবঙ্গ বলা হয়।

৫.রাঢ় অঞ্চলের গড় উচ্চতা:
উত্তর : ৫০–১০০ মিটার।

৬.সুন্দরবন সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা:
উত্তর : ৪–৫ মিটার।

৭. গাঙ্গেয় সমভূমির উচ্চতা:
উত্তর : ১০–১৫ মিটার।

৮. পশ্চিমের মালভূমি অঞ্চলের উচ্চতা:
উত্তর : ১০০–৫০০ মিটার।

৯. সুন্দরবনের মাটির বৈশিষ্ট্য:

উত্তর :

1.পলিযুক্ত দোআঁশ মাটি।

2.লবণাক্ত প্রকৃতি।

3.মাটিতে অক্সিজেনের পরিমাণ কম।

WB Class 5 Amader Poribesh Chapter 3

 

উত্তরবঙ্গের উঁচুনিচু জায়গা নদীসমূহ

 

১. উত্তরবঙ্গ কী?
উত্তর : মালদা জেলা থেকে উত্তরের অংশকে উত্তরবঙ্গ বলে।

২. উত্তর দিকের পাহাড়:
উত্তর : হিমালয় পর্বতের অংশ।

৩. দার্জিলিংয়ের উচ্চতা:
উত্তর : দেড় হাজার মিটারেরও বেশি।

৪. জলপাইগুড়ির উত্তরাংশের উচ্চতা:
উত্তর : প্রায় ১০০০ মিটার।

৫.উত্তরবঙ্গের নদীগুলি:
উত্তর : তিস্তা, তোর্সা, জলঢাকা, মহানন্দা, রায়ডাক।

৬. এই নদীগুলি প্রবাহিত হয়:
উত্তর : দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার জেলার মধ্যে দিয়ে।

৭. পলিবাহিত নদী:
উত্তর : কালজানি ও রায়ডাক।

৮. তরাই অঞ্চল গঠিত হয়:
উত্তর : দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুরের উত্তরাংশে।

৯. তরাই অঞ্চলের মাটি:
উত্তর : স্যাঁতস্যাঁতে প্রকৃতির।

 ১০.নদীগুলির ভূমিকা:
উত্তর : তিস্তা, তোর্সা প্রভৃতি নদী পাহাড় থেকে পলি, বালি ও নুড়ি বয়ে এনে তরাই অঞ্চল তৈরি করে।

 

পর্বতশ্রেণী পর্বতশৃঙ্গ (Mountains & Hills of West Bengal)

 

১. উঁচু পর্বতশৃঙ্গ সাদা কেন?
উত্তর : বরফ জমে থাকার কারণে।

২.দার্জিলিংয়ের পর্বতশ্রেণী:
উত্তর : সিঙ্গালিলা পর্বতশ্রেণী।

৩.সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ:
উত্তর : সান্দাকফু (৩৬৩০ মিটার)

৪.মহানন্দা নদীর উৎপত্তিস্থল:
উত্তর : দার্জিলিং জেলার ডাওহিল।

৫.পাহাড়ি নদীর উৎপত্তি:
উত্তর : বরফগলা বা বৃষ্টির জলে ছোট জলধারা মিলিত হয়ে নদী তৈরি করে।

৬. জলপাইগুড়ির বিখ্যাত বন:
উত্তর : জলদাপাড়া ও গোরুমারা।

৭. জলদাপাড়ার প্রাণী:
উত্তর : হাতি ও একশৃঙ্গ গণ্ডার।

৮. বক্সা জয়ন্তী পাহাড় অবস্থিত:
উত্তর : জলপাইগুড়ি জেলায়।

৯. শকুন সংরক্ষণ কেন্দ্র:
উত্তর : বক্সার বাঘবনে।

১০.বক্সার বাঘবনের প্রাণী:
উত্তর : ভালুক, হাতি, হরিণ, বাইসন, অজগর, প্রজাপতি প্রভৃতি।

১১.বক্সা দুর্গ দখল:
উত্তর : ১৮৬০-এর দশকে ব্রিটিশরা দখল করে।

১২.নামকরণের কারণ:
উত্তর : ভুটানের অন্তর্গত দুর্গটি ১৮৬৪ সালে কর্নেল ওয়াটসন ভারতের অন্তর্ভুক্ত করেন।

১৩. রেলপথের ক্ষতি:
উত্তর : জঙ্গলের মধ্যে রেল চলাচলে বহু পশু মারা যায়।

WB Class 5 Amader Poribesh Chapter 3

উত্তরবঙ্গের শহর জেলা বৈশিষ্ট্য

 

১. বিখ্যাত আম:
উত্তর : মালদার ফজলি আম।

২.গঙ্গার অবস্থান:
উত্তর : মালদার দক্ষিণ–পশ্চিমে।

৩. মহানন্দা নদী বয়ে গেছে:
উত্তর : মালদার মাঝখান দিয়ে।

৪. কুলিক পাখিরালয়:
উত্তর : উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জে।

WB Class 5 Amader Poribesh Chapter 3

 পশ্চিমবঙ্গের জেলা সদর বিখ্যাত স্থানসমূহ

 

  • দার্জিলিং: টাইগার হিল ও কাঞ্চনজঙ্ঘা।
  • আলিপুরদুয়ার: বক্সা অরণ্যের প্রবেশদ্বার।
  • বর্ধমান: সীতাভোগ ও মিহিদানার জন্য বিখ্যাত।
  • বাঁকুড়া: টেরাকোটা শিল্পের কেন্দ্র।
  • পুরুলিয়া: আগের নাম মানভূম।
  • মেদিনীপুর: কংসাবতী নদীর তীরে।
  • তাম্রলিপ্ত (তমলুক): রূপনারায়ণ নদীর তীরে।
  • কোচবিহার: তোর্সা নদীর তীরে।
  • বহরমপুর: পিতলের বাসনের জন্য বিখ্যাত।
  • হাওড়া: বিখ্যাত বোটানিক্যাল গার্ডেন।

WB Class 5 Amader Poribesh Chapter 3

আরও শহর নগরের তথ্য

 

  • শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়।
  • আসানসোল: বরাকর নদীর তীরে।
  • শান্তিপুর: রাসমেলার জন্য বিখ্যাত।
  • ডায়মন্ডহারবার: চিংড়িখালি দুর্গের ভগ্নাবশেষ।
  • চিত্তরঞ্জন: রেলইঞ্জিন কারখানা।
  • নবদ্বীপ: ভাগীরথী ও জলঙ্গীর মিলনস্থলে।
  • খড়গপুর: আইআইটি শিক্ষাকেন্দ্র।
  • ডানকুনি: দুধ সংরক্ষণ কেন্দ্র।
  • বোলপুর: শান্তিনিকেতন ও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বিখ্যাত।

Related Post

WB Class 5 Amader Poribesh Book 2025 – Full Syllabus & PDF Download

WB Class 5 Amader Poribesh Chapter 1: Human Body – Complete Question-Answer Guide

Class 5 amader poribesh chapter 2 Quition and Answar ভৌত পরিবেশ

WIKIPEDIA LINK     পশ্চিমবঙ্গ_মধ্য_শিক্ষা_পর্ষদ

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Index